আব্দুল খালেক, রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
“মাদককে না বলি, খেলাধুলাকে হ্যাঁ বলি” এবং “ক্রীড়াই শক্তি, ক্রীড়াই বল—সুস্থ ক্রীড়াই হোক মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়” এই স্লোগানকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মরহুম খোদাবক্স সরকার স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ১১তম আসরের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বিকেল ৩টায় উপজেলার খঞ্জনমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ফাইনাল খেলার আয়োজন করা হয়। টুর্নামেন্টটির আয়োজন করে খঞ্জনমারা শিক্ষার্থী বৃন্দ। ৩ নম্বর বন্দবেড় ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও ইউপি সদস্য কাজিমউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলার উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইহসান এবং জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান জোবায়ের হিমেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মাস্টারদা সূর্যসেন হল ছাত্রদলের সভাপতি শামিম আক্তার, ঢাকা জজ কোর্টের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, রৌমারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও রৌমারী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু, রাজিবপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মোকলেছুর রহমান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রাজু আহমেদ, আব্দুল কাইয়ুম ও নুরা আলম খান হিরো। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রৌমারী উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নাজিমুদ্দিন আকন্দ, সদস্য সচিব মশিউর রহমান পলাশ, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাজমুল হোসাইন রানা, সদস্য সচিব ওমর ফারুক বাবু, বন্দবেড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি এরশাদুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।টুর্নামেন্টে মোট ৮টি দল অংশগ্রহণ করে এবং খেলাগুলো ১২ ওভার ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয় রৌমারী সদর ইউনিয়ন একাদশ ও বন্দবেড় ইউনিয়ন একাদশ। টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করে বন্দবেড় ইউনিয়ন একাদশ নির্ধারিত ১২ ওভারে ১৪২ রানের লক্ষ্য নির্ধারণ করে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে রৌমারী সদর ইউনিয়ন একাদশ দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে এবং চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য ৫০ হাজার টাকা ও ট্রফি এবং রানার-আপ দলের জন্য ৩০ হাজার টাকা ও ট্রফি পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়। খেলা শেষে অতিথিরা বিজয়ী ও রানার-আপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার ও ট্রফি তুলে দেন। বক্তারা বলেন, যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
মন্তব্য করুন