Logo
🗓 প্রিন্টের তারিখঃ Jun 5, 2026 📅 প্রকাশের তারিখঃ Jun 3, 2026

রৌমারীতে একমাত্র চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ভোগান্তিতে কয়েকটি পরিবার

রৌমারীতে একমাত্র চলাচলের রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ভোগান্তিতে কয়েকটি পরিবার রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
টিন ও বাঁশের বেড়া দিয়ে রাস্তা বন্ধ করার অভিযোগ; জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের কথা বলছে অভিযুক্ত পক্ষ।

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা গ্রামে কয়েকটি পরিবারের একমাত্র চলাচলের রাস্তা টিন ও বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাঁতভাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা আবু জাহানের ছেলে হারুন অর রশিদের সঙ্গে প্রতিবেশীদের দীর্ঘদিন ধরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই বিরোধের জেরে গত ২৯ মে কয়েকজন ব্যক্তি রাস্তার ওপর বাঁশের খুঁটি ও টিনের বেড়া নির্মাণ করে চলাচল বন্ধ করে দেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, রাস্তার ওপর টিন ও বাঁশের বেড়া স্থাপন করায় ওই পথ দিয়ে মানুষের চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তারা এ পথ ব্যবহার করে আসছেন এবং এটি তাদের বসতবাড়িতে যাতায়াতের প্রধান ও একমাত্র রাস্তা। হারুন অর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, “আমার রেকর্ডভুক্ত বসতভিটা ও আবাদি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এর ধারাবাহিকতায় গত ২৯ মে শফিকুল ইসলাম, শাহজাহান, আব্দুল খালেক, আব্দুর রশিদ, মাইদুল ইসলাম, মাফুজল হক ও শহীদসহ কয়েকজন দলবদ্ধভাবে এসে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে আমাদের পুরাতন চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। এতে পরিবারের সদস্যরা বাড়ি থেকে বের হতে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। তিনি আরও জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান হয়নি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত পক্ষের আব্দুর রশিদ। তিনি বলেন, “আমরা আমাদের নিজস্ব জমির মধ্যে বেড়া দিয়েছি। তারাও তাদের জমিতে বেড়া দিয়েছে। কারও চলাচলের রাস্তা ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করা হয়নি।” এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জমি নিয়ে বিরোধের কারণে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিষয়টির দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু সমাধানের জন্য তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে বিরোধটি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে বিরোধ নিষ্পত্তি এবং জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক রাখার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।